Showing posts with label রকমারি খবর. Show all posts
Showing posts with label রকমারি খবর. Show all posts

Sunday, March 13, 2016

এক বেলা খাবারেই ৪০ লাখ

মধ্যবিত্ত জীবনে খাবার খেতে গিয়ে আগপিছ কত কিছু ভেবে নিতে হয়। তারচেয়েও যাদের টাকা টান তারা একটু দামি কিছু খেতে চাইলে দশবার মানিব্যাগের দিকে তাকিয়ে তারপর রেস্টুরেন্টে খেতে বসে। কিন্তু একটু দামি হোটেলে যারা খাবার খান তাদের সে চিন্তা না করলেও চলে যদি ব্যাংকে সহস্র কোটি টাকা থাকে। রাশিয়ান ব্যবসায়ী সহস্র কোটিপতি রোমান আব্রাহিমভিচ রেস্টুরেন্টে খেতে বসে কী চিন্তা করেন তা জানতে চাইবেন অনেকেই। তবে এটুকু নিশ্চিত থাকতে পারেন টাকার কথা ভাবেন না একদম। ম্যানহাটনের এক রেস্টুরেন্টে অল্প কিছুক্ষণের জন্য বসেছিলেন। উদ্দেশ সামান্য নাস্তা করা। রেস্টুরেন্টে বসে তিনি খাবার অর্ডার করা শুরু করলেন আর রেস্টুরেন্ট বেয়ারাদের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেল। হাইপ্রোফাইল এই ব্যবসায়ীকে কে ছাড়তে চায়। যা চাইলেন তাই এনে টেবিলে হাজির করল তারা। খাবার শেষে ছোট্ট বিলের কাগজটি হাতে নিয়ে কোনো ভাবান্তর হলো না রোমান আব্রাহিমভিচের। প্রায় ৪০ লাখ টাকারও বেশি বিল হয়েছিল তার। পুরো টাকা শোধ করে বেরিয়ে গেলেন তিনি। কিন্তু বিলের কাগজটি আর গোপন রইল না। মিডিয়াকর্মীদের বদৌলতে পৃথিবীর মানুষ জানল এই লোকের এক বেলা খেতে কত টাকা লাগে।

দামি শহর আরব আমিরাত

বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর আরব আমিরাত। ২০১৪ সালের মধ্যে শহরটির নতুন করে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। লন্ডনের হাইড পার্কের চেয়েও অনেক বড় একটি পার্ক নির্মাণের ঘোষণা আসার পরই এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সেরা শহর। আরব বিশ্বের সবচেয়ে বড় অবকাশ যাপন ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে এই শহরকে। মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন শহর বিশ্বের নতুন বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে ধীরে ধীরে। তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবসময়ই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য প্রশংসিত। বুর্জ আল খলিফা নামে বিশ্বের দীর্ঘতম ভবনটি গড়ে উঠেছে এখানে। তেলনির্ভর অর্থনীতির পরিবর্তে সিঙ্গাপুরের মতো বাণিজ্যকেন্দ্র ও বিশ্বখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দুবাই, আবুধাবির খ্যাতি এনে দিয়েছে।

Saturday, March 12, 2016

হাজার ডলারের টিকিট

বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি টিকিটের দাম উঠেছে ৯৯০ ডলার। আর টিকিটটি খুব পুরনো দিনেরও নয়। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিটের দাম ঘোষণা করে। এতে সবচেয়ে দামি টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৯৯০ ডলার। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের এই দাম দামি টিকিটের কাতারে নাম লিখিয়েছে। ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছে ৪৪০ থেকে ৯৯০ ডলার। বোদ্ধারা বলেছেন, টিকিট কালোবাজারিতে আরও অনেক গুণ বেশি দামে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে কিন্তু অফিশিয়াল দামের সঙ্গে সে দামের তুলনায় আনা হয় না। কালোবাজারিতে এই টিকিটের দাম গোপন রেখেছে কুচক্রী মহল। 

Friday, March 11, 2016

ব্লাক ডায়মন্ড মোবাইল

দামি মোবাইলের কথা উঠলে বেশ কয়েকটি মোবাইলের নাম উঠে আসে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোনটি তৈরি করেছে সুইস ইন্টারনেট ফোন কোম্পানি ভিআইপিএন। দশমিক ২৫ ক্যারেটের ডায়মন্ডের কন্ট্রোল বাটনসহ ‘দি ব্লাক ডায়মন্ড’ নামের এ মোবাইলটির দাম ২ লাখ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি টাকায় ২  কোটি ৫৬ লাখ। এই মোবাইল সেটটির ডিজাইন করেছেন বিখ্যাত সেট ডিজাইনার জ্যারেন গুহ। সেটটির বডি তৈরি করা হয়েছে মূল্যবান টাইটানিয়াম ধাতু দিয়ে। এতে সেনসিটিভ টাচ কি-প্যাড, ক্যামেরা ও মোমোরি কার্ড স্লট, মিরর ফিনিস সেল প্রভৃতি বিদ্যমান। এই মোবাইল ফোন সেটটির শুধু কন্ট্রোল বাটনেই নয়, আরও অনেক স্থানে ডায়মন্ডের প্রলেপ রয়েছে।

Thursday, March 10, 2016

হীরা দিয়ে শরীর ম্যাসাজ

শরীর ম্যাসাজ করার দেশে দেশে নানা পদ্ধতি রয়েছে। রয়েছে বিচিত্র সব খরুচে হাত। তেমনই একটি খরচ হীরা দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করা। বিলাসিতার চূড়ান্ত ধরা হয় এটিকে। কারণ হীরা আপনি সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন না। পার্লারেই রেখে আসতে হবে। এ ধরনের শরীর ম্যাসাজে হীরা বিছিয়ে তারপর আপনার শরীরের মাংসপেশিগুলো ম্যাসাজ করা হয়। ২০০৯ সাল থেকে এ ধরনের ম্যাসাজ চালু হয়। তারপর থেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এটি। দেশে দেশে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করলে হীরার রীতিমতো সংকট দেখা দেয়। একমাত্র শীর্ষ ধনীরাই হীরার ম্যাসাজ নিতে পারেন এমন একটি অঙ্কের বিল চেয়ে বসেন পার্লার কর্তৃপক্ষ। ১.৫ ক্যারেট হীরার প্রয়োজন হয় শরীর ম্যাসাজ করার জন্য। ম্যাসাজের সময় সারা শরীর হীরা দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়।

Wednesday, March 9, 2016

কোটি ডলারের পেইন্টিং

৮১ বছর বয়সী বিশ্বের সবচেয়ে দামি শিল্পী থাকেন জার্মানির কোলোন শহরে। টানা দুই বছর ধরে তার শিল্পকর্ম বিক্রি হয়েছে রেকর্ড দামে। তার উল্লেখযোগ্য শিল্প কর্মগুলোর তালিকায় রয়েছে ক্যারেস (মোমবাতি), আটলাস, সিরিজ-আবস্ট্রাকটেস বিল্ড, সিরিজ- বাডের-মাইনহোফ ইত্যাদি। ১৯৯৪ সালে আঁকা বিশাল তেলচিত্রটি বিক্রি হয়েছিল ৩৪ মিলিয়ন অর্থাৎ তিন কোটি ৪০ লাখ ডলারে। ক্ল্যাপটন ২০০১ সালে রিশটারের এই ছবিসহ আরও দুটি ছবি একসঙ্গে কিনেছিলেন ২৬ লাখ ইউরোয়। তার আগে ২০১০ সালে মার্কিন শিল্পী জেস্পার  জোনসের ষাটের দশকে আঁকা তেলচিত্র ‘ফ্ল্যাগ’ (পতাকা) বিক্রি হয়েছিল ২২ মিলিয়ন বা ২ কোটি বিশ লাখ ইউরোয়। নিউইয়র্কের ‘মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্টস-এ তার স্থায়ী প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে।

মোবাইল গেমে টেলর সুইফট

মার্কিন সংগীত শিল্পী টেলর সুইফটকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে মোবাইল গেম। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজের নামে গেম তৈরির জন্য চুক্তি করেছেন এই শিল্পী। 
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেগা স্টার সুইফট কিম কারদাশিয়ান ও কেটি পেরিকে অনুসরণ করে মোবাইল গেমের জগতে আসছেন। এ জন্য গেম নির্মাতা গ্লু মোবাইলের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তিনি। ২০১৬ সালের শেষদিকে এ গেমটি বাজারে আসতে পারে বলে গ্লুর প্রধান নির্বাহী নিকেলো দ্য মাসি উল্লেখ করেছেন। টেলরের অনন্য সৃজনশীলতা গেমটিতে কাজে লাগানোর কথা বলেছেন তিনি। তবে গেমের নাম ও ধরন সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

Tuesday, March 8, 2016

চাঁদে গড়ে উঠবে গ্রাম

চাঁদের জমিতে গড়ে উঠবে গ্রাম। ২০৩০ সালে কল্পনার সেই গ্রাম চাঁদের বুকে গড়ে উঠতে পারে। নভোচারী আর রোবটিক ব্যবস্থার সমন্বয়ে চাঁদের বুকে স্থাপনা তৈরি করে সেখানে মানব বসতি তৈরির পূর্বাভাস দিচ্ছেন একদল গবেষক।

মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহে যেতে মানুষ চাঁদের এই গ্রামে বা কলোনিতে গিয়ে প্রাথমিক আশ্রয় নেবে। যুক্তরাষ্ট্রের নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সিলাইভ নেভিল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা চাঁদের সম্পদ নিয়ে কথা বলে যাচ্ছি। এখন বাস্তবে সেগুলো কাজে লাগানো যাবে কি না, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। এর পরের পদক্ষেপ হবে চাঁদের সম্পদগুলো ব্যবহার উপযোগী করা।’

চাঁদে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডসে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) ‘মুন ২০২০-২০৩০-আ নিউ এরা অব কোঅর্ডিনেটেড হিউম্যান অ্যান্ড রোবোটিক এক্সপ্লোরেশন’ নামের একটি সিম্পোজিয়াম আয়োজন করেছে। এই সভায় চাঁদে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন গবেষকেরা।

প্লুটোয় পাহাড় ভাসছে!

পাহাড় কি ভাসতে পারে? যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা বলছেন, ভাসমান পর্বতমালা সত্যিই আছে। সেটি বামন গ্রহ প্লুটোয়। সেখানকার একটি স্থানে এমন ভাসমান পাহাড় দেখা গেছে। 

সম্প্রতি নাসার পাঠানো নিউ হরাইজনস মিশন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়েছেন। কারণ তাঁরা দেখেছেন, শীতল বামন গ্রহটিতে একটি পাহাড় ভেসে বেড়াচ্ছে। নাইট্রোজেন বরফের হিমবাহ এই পাহাড়কে বয়ে বেড়াচ্ছে। গবেষকদের ভাষ্য, এই পাহাড়ের নাম স্পুটনিক প্ল্যানাম। কয়েক মাইল বিস্তৃত এই পাহাড়টি বরফে আবৃত। তথ্যসূত্র: নাসা

দুই পৃথিবী মিলে এক পৃথিবী

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী কীভাবে তৈরি? বিজ্ঞানীরা বলছেন, দুই পৃথিবী মিলে তৈরি আমাদের এই পৃথিবী। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দাবি করেছেন, নবীন পৃথিবী আর উন্নয়নশীল আরেক গ্রহ থিয়ার মধ্যে প্রচণ্ড ও মুখোমুখি সংঘর্ষে আমাদের এই আজকের পৃথিবীর জন্ম হয়েছিল। একই কারণে সৃষ্টি হয় পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ। ‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
গবেষকদের দাবি, থিয়া নামের ওই গ্রহের ভ্রূণের আকার ছিল প্রায় পৃথিবী বা মঙ্গল গ্রহের সমান; যা ৪৫০ কোটি বছর আগে এই সংঘর্ষের ফলে দুটি গ্রহ পরস্পর গলে-মিশে গিয়েছিল। এই সংঘর্ষ-ঘটনার ১০ কোটি বছর পর আজকের পৃথিবীর রূপ লাভ করতে থাকে।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা অ্যাপোলো ১২, ১৫ ও ১৭ মিশন থেকে আনা চাঁদের পাথর ও পৃথিবী পৃষ্ঠে হাওয়াই ও অ্যারিজোনার আগ্নেয় শিলা নিয়ে পরীক্ষা চালান।
গবেষকদের দাবি, চাঁদের পাথর ও পৃথিবীর পাথরের মধ্যে অক্সিজেন আইসোটোপ প্রায় একই রকম।
গবেষণা নিবন্ধে গবেষক এডওয়ার্ড ইয়াং বলেন, ‘থিয়া পৃথিবী ও চাঁদের সঙ্গে মিশে বিক্ষিপ্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে থিয়ার বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে না। যদি নবীন ওই গ্রহটি পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষে না জড়াত, তবে হয়তো আরেকটি গ্রহ তৈরি হতো।

কেমন হচ্ছে অ্যাপলের নতুন অফিস?

এগিয়ে চলেছে আপ্যলের অফিসের নির্মাণকাজ


এই ক্যাম্পাসে অ্যাপলের নতুন করপোরেট অফিস এবং পণ্য প্রদর্শনের শোরুম থাকবে। সম্প্রতি অ্যাপল এই ক্যাম্পাসের ছবি প্রকাশ করেছে। বড় বড় বাঁকানো কাচের প্যানেল দিয়ে তৈরি অ্যাপলের এই মূল ভবনটি দেখতে অনেকটা ইউএফও (আন-আইডেন্টিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট) বা উড়ন্ত চাকতির মতো। এরই মধ্যে এর কাজ প্রায় ৩৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। গোটা নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা এই বছরের শেষের দিকে। উদ্বোধন হবে আগামী বছর।
কার্বন তন্তু দিয়ে তৈরি ছাদ


অ্যাপলের বর্তমান ক্যাম্পাস থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরের এই ক্যাম্পাস ২ নির্মাণে অ্যাপল ততটাই মনোযোগ দিয়েছে, যতটা অ্যাপল প্রতিটি পণ্য তৈরিতে দিয়ে থাকে। প্রায় ৫০০ বাঁকানো কাচের পাত সরানো এবং জায়গামতো বসানোর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বড় বড় যন্ত্র—ম্যানিপুলেটরস। এই কর্মযজ্ঞ নিয়ে ১৯টি দেশের নকশাকার প্রতিষ্ঠান, কাঁচামাল সরবরাহকারী এবং অন্যান্য বিক্রেতার সঙ্গে কাজ করছে অ্যাপল।
১৩ হাজার কর্মীকে একসঙ্গে জায়গা দিতে পারবে অ্যাপলের নতুন মূল ভবনটি। যতটুকু জানা গেছে, ১ লাখ ২০ হাজার বর্গফুটের ভূগর্ভস্থ মিলনায়তনে হাজার খানেক আসন ধারণক্ষমতা রয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ‘ফোস্টার অ্যান্ড পার্টনার’-এর নকশায় নির্মিত এই সিলিন্ডার আকৃতির ভূগর্ভস্থ মিলনায়তনটি ভূমির ওপর থেকেই দেখা যায়। এতে কোনো 

অন্দর মহল


কলাম নেই। কলামের বদলে জায়গাটি খালি রাখা হয়েছে এবং এটি কাচ দিয়ে ঢাকা। আছে নিচের ইভেন্ট হলে নামার জন্য সিঁড়িও। তবে থিয়েটারের সুন্দর ছাদটিই খুব সম্ভবত এর আসল আকর্ষণ। অ্যাপল বিশ্বাস করে, এটাই এযাবৎকালের তৈরি সবচেয়ে বড় ছাদ, যা কার্বন তন্তু দিয়ে তৈরি। দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার কম্পোজিট টেকনোলোজি এটি তৈরি করেছে।
বৃত্তাকার ছাদটি গড়ে ৭০ ফুট লম্বা এবং ১১ ফুট চওড়া ৪৪টি রেডিয়াল প্যানেলের সমন্বয়ে গঠিত। এর ওজন ৮০ টন। এই ছাদের ওপর থেকে অ্যাপলের নতুন ক্যাম্পাসের চারদিক দেখা যায়। নতুন ক্যাম্পাসের মূল ভবনটির আয়তন ২৮ লাখ বর্গফুট। এটি হবে চারতলাবিশিষ্ট এবং মাটির নিচেও তিনটি তলা থাকবে।

-ম্যাশেবল অবলম্বনে 

১ হাজার ৬০০ হীরা খোঁচিত কুকুরের গলার হার

টাকা হলে মানুষ কি না করে। নিজের জন্য তো করেই, নিজের পছন্দের কুকুরের জন্যও করে। তেমনই সৌভাগ্যবান কুকুরদের জন্য রয়েছে গলার হার। এই হারের দাম ৩.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ধরনের গলার হার শুধু অর্ডার পেলেই বানিয়ে দেবে ‘আমর ডগ কলার’ প্রতিষ্ঠানটি। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কুকুরের গলার হার বলেও স্বীকৃত। একমাত্র অভিজাত বংশের কুকুরের জন্যই এটি তৈরি করা
সম্ভব। আপনার যত টাকাই থাকুক না কেন যেনতেন কুকুরের জন্য আপনি এটি বানাতে পারবেন না। এই গলার হারে ব্যবহার করা হয় প্লাটিনিয়াম, আঠারো ক্যারেটের ডায়মন্ড ও সাদা সোনা। কুমিরের চামড়া দিয়ে এটির বেল্ট বানানো হয়। একটি কুকুরের গলার হার বানাতে অনন্ত ১ হাজার ৬০০ টুকরো হীরা লাগানো হয় এটিতে।

Monday, March 7, 2016

প্রেম বিলাসে এক সন্ধ্যায় খরচ ৪০ কোটি টাকা

প্রেম সর্বজনীন। প্রেমের জন্য যুগে যুগে মানুষ কী না করেছে। কেউ ঘর ছেড়েছে। কেউ ছেড়েছে রাজত্ব। প্রেমে নাকি মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। তাই বলে পছন্দের মানুষটির সঙ্গে প্রেমবিলাসে এক সন্ধ্যা সময় কাটাতে যদি খরচ হয় ৪০ কোটি টাকার বেশি, তাহলে টাকা একটু বেশি হয়ে গেল মনে হচ্ছে। আমাদের কাছে একটু বেশি শোনালেও হলিউডের তুমুল জনপ্রিয় সুন্দরী মডেল ও অভিনেত্রী কিম কার্দেশিয়ানের সঙ্গে একটু সময় কাটাতে ৪০ কোটি টাকা ঢেলে দিতে একটুও কার্পণ্য বোধ করেননি রিচার্ড লাগনার। অস্ট্রেলিয়ান এই বিলিয়নিয়ারের আজব বাতিক রয়েছে। প্রতি সন্ধ্যায় একজন সেলিব্রেটির সঙ্গে একটু নাস্তা করা, নাচ-গান না করলে তার চলেই না। কিম আমন্ত্রণ পাওয়ার পরই জানিয়ে দেন এ ধরনের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাকে কমপক্ষে ৪০ কোটি টাকা দিতে হবে, নইলে তার আশা ছাড়তে হবে। এ কথা শুনে পিছিয়ে থাকার লোক নন রিচার্ড। সুযোগ হাতছাড়া করলেন না। কিম কার্দেশিয়ান তার  অনুষ্ঠানে এলেন। এক সন্ধ্যা প্রেমবিলাসের জন্য ৪০ কোটি টাকা খরচ করেও তাই রিচার্ড বললেন, নাচ হলো না। সময়টা বিরক্তিকর কেটেছে।

নাসার মঙ্গলযাত্রা

২০১৫ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র দ্য মার্শিয়ান-এ দেখা যায়, মঙ্গল গ্রহে আটকে পড়া এক মহাকাশচারীকে বীরের মতো উদ্ধার করছে নাসা। মিশনের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছ থেকে তেমন সহায়তা না পেয়ে ওই মহাকাশচারীকে টিকে থাকার ক্ষেত্রে বিপুল বুদ্ধির স্বাক্ষর রাখতে হয়েছিল। রিডলি স্কটের পরিচালনায় বানানো ছবিটি দৃষ্টিনন্দন, একটা টানটান বিনোদন উপহার দেয় সেটা। তবে অনেকের চিন্তার একত্র সমাবেশ ঘটাতে পারলে মানুষের পক্ষে কত দূর কী অর্জন করা সম্ভব, সেটাও তুলে ধরেছে এ ছবি। স্ট্যানলি কুব্রিকের ১৯৬৮ সালের মাস্টারপিস ২০০১: আ স্পেস অডিসি-এর মতো এটিও ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানের চেহারাটা কেমন দাঁড়াবে, তার একটা ঝলক উপহার দেয়।
চলচ্চিত্রটি তৈরি হওয়ার সময় কিছু কারিগরি পথনির্দেশ দিয়েছে নাসা। অত্যাধুনিক মহাকাশ-পোশাক থেকে শুরু করে মহাকাশে খাদ্য উৎপাদনের পদ্ধতি পর্যন্ত এমন কিছু প্রযুক্তি অনেক দৃশ্যে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমরা আসলেই এখন কাজ করছি। ভবিষ্যতে কোনো দিন সত্যিকার মঙ্গল অভিযানেও এই প্রযুক্তিগুলোই ব্যবহৃত হতে পারে।
২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য ঠিক করেছে নাসা। ‘নাসার মঙ্গলযাত্রা: মহাকাশ অভিযানের পরবর্তী পথিকৃৎ পদক্ষেপ’ শিরোনামে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে আমরা একটা রূপরেখা দিয়েছি, যাতে বলা হয়েছে ওখানে যাওয়ার পথে মানবজাতির করণীয় কী কী। এসব পদক্ষেপের মধ্যে আছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অব্যাহত গবেষণা, এবং তারপর নিম্ন পার্থিব কক্ষপথ থেকে মানুষকে সেই অঞ্চলটিতে নেওয়া, যেটাকে আমরা বলি ‘পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্র’—এটা চাঁদের নিকটবর্তী মহাকাশ অঞ্চল। এটা করতে পারলে আমরা আমাদের সামর্থ্যের সীমারেখাকে এমন একটা অঞ্চল পর্যন্ত বাড়িয়ে নিতে পারব, যেখান থেকে মহাকাশচারীরা অল্প কিছুদিনের মধ্যে নিরাপদে ফিরে আসতে পারেন। 
দ্য মার্শিয়ান চলচ্চিত্র একটা জায়গায় ভুল করেছে। ওখানে যেমনটা দেখানো হয়েছে, মঙ্গল গ্রহে মনুষ্য অভিযান কিন্তু সে রকম নাসার প্রাধান্যবিশিষ্ট একটা উদ্যোগ হবে না, যেমনটা ঘটেছে চাঁদের পিঠে নাসার সত্যিকার অভিযানের বেলায়। বরং মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতিতে সারা পৃথিবীর মানুষ আর সম্পদ ভূমিকা রাখবে এবং অভিযাত্রাটি অন্যান্য দেশের মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে অংশীদারি ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, ব্যক্তি খাতেরও সহায়তা নেওয়া হবে। 
মহাকাশ ও সৌরজগৎ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের চৌহদ্দি বাড়ানোর জন্য এরই মধ্যে সারা বিশ্বের সংস্থাগুলো একত্রে কাজ করতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ এবং সেটা পরিচালনার পেছনে ১৫টি দেশের হাজার হাজার লোক নিযুক্ত। সৌরজগতে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি মহাকাশে দীর্ঘকাল অবস্থানের সময় কী করে মানুষকে সুস্থ রাখা যাবে, তার হাড়ের ঘনত্ব ক্ষয়ে যাওয়া আর পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া কী করে কমানো যাবে—এসব বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। 
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যৌথভাবে অজস্র মহাকাশযান পাঠিয়ে রোবোটিকভাবে মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে নাসা। নাসার মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরি কিউরিওসিটি রোভারে নানা রকম যন্ত্রপাতি জোগান দিয়েছে পাঁচটি দেশ। এর মধ্যে স্পেনের সেন্ত্রো দি আস্ত্রোবায়োলজিয়ার নির্মাণ করা একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ স্টেশনও আছে। এসব প্রচেষ্টার বরাতে মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পাওয়া যাবে, যা সেখানে মানুষের সশরীরে পদার্পণের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কমাবে। তা ছাড়া সেখানে ভবিষ্যৎ অভিযানে কী কী সম্পদ পাওয়া যাবে না যাবে, সে সম্পর্কেও একটা ধারণা পাওয়া যাবে। নাসার ওরিয়ন মহাকাশযানের জন্য ইউরোপিয়ান মহাকাশ সংস্থা একটা সার্ভিস মডিউল বানিয়ে দিচ্ছে। এই ওরিয়ন মহাকাশযান অ্যাপোলো কর্মসূচির পর প্রথমবারের মতো চাঁদের ওপারে মহাকাশচারী বহন করে নিয়ে যাবে। 
ব্যক্তি খাতের কোম্পানিগুলোও তাদের পক্ষে যা করা সম্ভব করছে। নাসার বাণিজ্যিক পরিবহন কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রসদ বয়ে নিয়ে গেছে স্পেসএক্স এবং অরবিটাল এটিকে। এ ছাড়া ২০১৮ সাল থেকে মহাকাশচারী বয়ে নিয়ে যাওয়া শুরুর পরিকল্পনা করছে বোয়িং ও স্পেসএক্স। মহাকাশ স্টেশনে ব্যক্তিমালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানির নতুন নতুন প্রযুক্তির পরীক্ষা চালাচ্ছি আমরা, যেমন ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার, যা মহাকাশযাত্রাকে আরও টেকসই করে তুলবে। 
শুধু নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর জন্যই যে আমরা মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছি এমন নয়। আমরা এটা করছি, কারণ ওই গ্রহ সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানব, তা পৃথিবীর বুকে প্রাণ সম্পর্কেই আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করবে। 
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বিশ্বাস করি, পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সাক্ষ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে মঙ্গল গ্রহই সবচেয়ে সম্ভাব্য স্থান। প্রাণের জন্য সবচেয়ে জরুরি শর্ত যে পানি, সেটা মঙ্গল গ্রহে প্রায় ১০০ কোটি বছর ধরে স্থিতিশীল দশায় ছিল। পৃথিবীতে বিবর্তন সম্পর্কে আমরা যেটুকু জানি, তার ভিত্তিতে বলা যায়, মঙ্গল গ্রহেও প্রাণের উন্মেষ ঘটে থাকতে পারে।
যা-ই হোক, মঙ্গল গ্রহে প্রাণের উদ্ভব যদি ঘটেও থাকে, সেটা যেহেতু অণুজীব স্তরের বেশি বিবর্তিত হতে পারেনি, কাজেই প্রাণের সাক্ষ্য অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সেখানে মহাকাশজীববিজ্ঞানী আর ভূ-প্রকৃতিবিজ্ঞানী পাঠাতে হতে পারে। ওই গ্রহের পৃষ্ঠদেশে তরল পানির অস্তিত্বের সাম্প্রতিক সাক্ষ্যের পর বিজ্ঞানীরা এখন এই সম্ভাবনাও ভেবে দেখছেন যে ওপরের পৃষ্ঠদেশের পরিস্থিতি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাওয়ার ফলে মঙ্গল গ্রহে মাটির অভ্যন্তরে ঠাঁই নিয়ে প্রাণ এখনো নিজেকে টিকিয়ে রেখেছে কি না।
অবিমিশ্র বৈজ্ঞানিক বিষয়ের বাইরে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার অন্য কিছু কারণও আছে। ওখানে মানুষ পাঠানো এমন এক চ্যালেঞ্জ, যেটা নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উসকে দেবে, নতুন প্রযুক্তি আর সক্ষমতার উদ্ভব ঘটবে। হিসাব কষে দেখা গেছে, নাসার পেছনে ব্যয় করা প্রত্যেক ডলার আমেরিকার অর্থনীতিতে চার ডলার যোগ করে। প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি একদা বলেছিলেন, আমরা মানুষকে চাঁদে পাঠাচ্ছি শুধু এ জন্য না যে, ‘এটা সহজ, বরং এ জন্য যে এটা কঠিন, কেননা এই লক্ষ্য আমাদের বল আর দক্ষতাকে পুনর্গঠন করতে আর পরিমাপ করতে সহায়তা করে।’
এসব প্রচেষ্টা পৃথিবীতে মানুষের সত্যিকার উপকারে লাগে। মহাকাশের জন্য উদ্ভাবন করা সাম্প্রতিক অনেক প্রযুক্তিই পৃথিবীতে ব্যবহারিক কাজে লাগানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের জন্য বানানো পানি বিশুদ্ধকরণব্যবস্থা পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে সাহায্য করছে। নাসার নতুন মহাকাশ উৎক্ষেপণব্যবস্থা আর ওরিয়ন ক্যাপসুল দ্রুতগতিতে ব্যাটারি চার্জ করার প্রযুক্তি সম্ভব করেছে। তা ছাড়া এগুলোর বরাতে আমরা আরও অগ্রসর নির্মাণ প্রযুক্তি আর হালকা উড়োজাহাজ কাঠামো পেয়েছি।
দ্য মার্শিয়ান ছবিতে অদম্য মহাকাশচারী মার্ক ওয়াটনি যেভাবে মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধান চালিয়েছেন, নাসাও ও রকম এক নতুন উচ্চতায় ওঠা এবং লোহিত গ্রহের রহস্য উদ্ঘাটনে একটি আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় অব্যাহতভাবে নেতৃত্ব দিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর তা করতে গিয়ে আমরা সায়েন্স ফিকশনকে সায়েন্স ফ্যাক্টে পরিণত করব।
স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, ইংরেজি থেকে অনূদিত
এলেন আর স্টোফান: নাসার প্রধান বিজ্ঞানী

‘ভুতুড়ে’ অক্টোপাস

‘ভুতুড়ে’ এক অক্টোপাস। নাম তার ক্যাসপার। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে খোঁজ মিলেছে প্রাণীটির। গবেষকেরা বলছেন, এই প্রজাতির অক্টোপাসের কথা এত দিন অজানা ছিল তাঁদের।
ইউএস ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) গবেষক মাইকেল ভেশিওন গত বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, হাওয়াইয়ের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত নেকার দ্বীপ এলাকায় পানির প্রায় চার কিলোমিটার গভীরে একটি সমতল পাথরের ওপর বসেছিল ছোট্ট অক্টোপাসটি। সামুদ্রিক ভূতত্ত্ব ও জীববিদ্যা নিয়ে অনুসন্ধানের জন্য পাঠানো দূরনিয়ন্ত্রিত একটি যান জায়গাটি অতিক্রম করার সময় প্রাণীটিকে শনাক্ত করে। সাগরের এতটা গভীরে অক্টোপাসের উপস্থিতি এই প্রথম দেখলেন বিজ্ঞানীরা। 
দুধ-সাদা অক্টোপাসটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যাসপার দ্য ফ্রেন্ডলি গোস্ট’। এটির প্রতি কর্ষিকায় একটি করে শুঁড় রয়েছে। কিন্তু যে কারণে এই অক্টোপাস ব্যতিক্রমী, তা হলো এর শরীরে ক্রোমাটোফোর নামের রঞ্জক কোষ নেই। অধিকাংশ শুঁড়ওয়ালা প্রাণীদেহে ক্রোমাটোফোর থাকে। আর অন্যান্য অক্টোপাসের কর্ষিকায় দুটি করে শুঁড় দেখা যায়। 
এনওএএর ওয়েবসাইটে অক্টোপাসটির একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায় ফ্যাকাশে, প্রায় গোলাকার প্রাণীটি ভাবলেশহীন চোখে নির্জীব অবস্থায় বসে আছে সাগরতলে। এ রকম অদ্ভুত অবয়বের কারণেই টুইটার ব্যবহারকারীরা অক্টোপাসটির সঙ্গে ‘ভুতুড়ে’ কার্টুন চরিত্র ক্যাসপার দ্য ফ্রেন্ডলি গোস্টের মিল খুঁজে পেয়েছেন।

Sunday, March 6, 2016

৫০০ কোটি টাকার বিয়ে

সামাজিক উৎসবের মধ্যে একটি হলো বিয়ে। বিয়ের উৎসব আয়োজনে কম বেশি সবাই অতিথি আপ্যায়ন, আলোকসজ্জা ও আনুষঙ্গিক খরচ করে থাকেন। তবে সেই খরচের পরিমাণ যদি হয় ৫০০ কোটি টাকার বেশি তবে নিশ্চয়ই বিস্ময়ে হতবাক হতে হয়। আর বিয়ের অনুষ্ঠানে এমনই বিশাল খরচ করে ভারতীয় ধনকুবের লক্ষ্মী মিত্তাল তার মেয়ের বিয়েতে। শুধু ভারত নয়, বিশ্বের ধনী পরিবারগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারতের স্টিল ব্যবসায়ী লক্ষ্মী মিত্তাল পরিবার। এ পরিবারের বিয়ে মানেই জাঁকজমক আর বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাহার। ২০০৪ সালে লক্ষ্মী মিত্তালের কন্যা ভানিশার বিয়ের সময় প্যারিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কাইলি মিনোগ। রাতে ভাড়া করা হয় পুরো আইফেল টাওয়ার। আইফেল টাওয়ার থেকে আতশবাজি ছোড়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেন তিনি। এ ছাড়া মাত্র ১ হাজার অতিথির খাবারের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সতেজ খাদ্যপণ্য নিজস্ব বিমানে সেখানে পৌঁছানো হয়। শুধু খাবারই ছিল কয়েকশ কোটি টাকার। অনুষ্ঠানের জন্য পুরো ফ্রান্সের বিখ্যাত ভার্সেলিস প্রাসাদটি ভাড়া নেন তিনি। বিয়ের জন্য সোনালি রং বাছাই করা কারণে পুরো প্রাসাদ ও আসবাব মুড়ে দেওয়া হয় সোনালি রঙে। ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবহার হয় খাঁটি সোনা।

শখের তোলা কোটি ডলার

টাকা থাকলে যা খুশি তাই করা যায়। আর সেটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারেননি সফটওয়্যার নির্মাতা চার্লস সিমোনি। মাইক্রোসফটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সিমোনি অবকাশ যাপনের জন্য পৃথিবীর বাইরে থেকে ঘুরে আসাটাকেই শ্রেয় মনে করলেন। ছুটি কাটাতে মহাকাশ ভ্রমণে তার ব্যয় ধরা হয় ৪০০ কোটি টাকা। কিন্তু এ টাকা তার জন্য খুব বেশি কিছু ছিল না। অ্যাডভেঞ্জার ও উত্তেজনাপ্রিয় এই মানুষটি ছুটি কাটাতে মহাকাশ বেছে নিয়েছিলেন এ কারণেই। পৃথিবীর বাইরে দাঁড়িয়ে পৃথিবীকে একনজর দেখা ও তারার মেলা দেখার ইচ্ছা তার রয়েছে। আর সেটা পূরণ করতেই এই মহাকাশ যাত্রার প্রস্তুতি। ভ্রমণের জন্য মহাকাশ যে সহস্র কোটিপতির পছন্দের জায়গা হয়ে উঠছে সেটাই প্রমাণ মিলল এখান থেকে। বিভিন্ন ভ্রমণ কোম্পানি সেই থেকে বিজ্ঞাপন করে এলো মহাকাশ ভ্রমণের সুযোগ নিয়ে। ২০০১ সালে রাশিয়ান নভোচারীদের পর শুধু বেড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস টার্মিনালে কেউ যায়নি। চার্লস সিমোনি সেই রেকর্ড ভেঙে দিতে চান। মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড ও এক্সেলের দেখভাল করা এই সফটওয়্যার নির্মাতা মহাকাশ ভ্রমণের জন্য সাড়ে পাঁচশ কোটি টাকার চুক্তিতে যাওয়ার পর থেকে একজন দক্ষ নভোচারী হওয়ার জন্য অনুশীলন করেন এবং দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশ থেকে ঘুরে আসেন। এ তো গেল ভ্রমণের জন্য ব্যয়। খরচ করার জন্য শোবার বিছানাও হতে পারে লাখ লাখ ডলারের। বাংলাদেশি টাকায় কোটি টাকারও বেশি। তেমনই একটি বিছানা ‘ম্যাগনেটিক ফ্লোটিং বেড’। এটি মূলত চুম্বকের তৈরি একটি বিছানা। দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটি বাতাসে ভাসছে। ১.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই বিছানাটি চাইলে ডানে বামে ইচ্ছা মতো সরিয়ে নিতে পারবেন। রিমোটের চাপেই এটি জায়গা বদল করতে পারবে। মাটি থেকে দেড় ফুট উঁচুতে এটি দিব্যি ভেসে থাকতে পারবে। জাদুর পাটির মতো এটি ভেসে থাকত বলে এটিকে ভাসমান বিছানা বলেও ডাকা হয়। এই বিছানায় তিনজন অনায়াসে শুয়ে থাকতে পারবেন। কেউ চাইলে এই বিছানায় ভেসে ভেসে সরে আসতে পারবেন কয়েক ফুট দূরত্ব পর্যন্ত। বিলাসিতার এটাই শেষ নয়। অনেকে শখের বশে সংগ্রহ করেন পাখির পালক। তেমনই একটি পাখির পালক হুয়া পাখির। এই পাখির একটি মাত্র পালকের দাম ১০ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি। বিলুপ্তপ্রায় এই পাখির পালক খুবই দুর্লভ। এই পাখির পালক দিয়ে প্রাচীনকালে রাজারা রাজকীয় দলিল স্বাক্ষরের কাজ করে থাকতেন।

বিলাসী বাড়ি,গাড়ি,শাড়ি

ভারতের সেরা ধনী তিনি। নাম মুকেশ আম্বানি। এশিয়ার সেরা ধনী ব্যক্তি তিনি। বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়ির একটি। অতিকায় এ বাসভবনটিকে মুকেশ প্রাসাদ বলা যায়। বাড়িটির নাম আন্তিলা। ‘আন্তিলা’ ভবনটি মোট চার লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায়। আম্বানি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছয়। এ ছয়জন সদস্যের জন্য গোটা বাড়ি বানানো হয়েছে। আন্তিলায় ফ্লোর সংখ্যা ২৭। ২০০২ সালে মুকেশ আম্বানি মুম্বাই নগরীতে ৪৯ হাজার বর্গফুট জায়গা কিনে নেন। সাত বছরের নির্মাণ কাজে ব্যয় করা হয়েছে ১০০ কোটি ডলার। বাড়িটির উচ্চতা ১৭৩.১২ মিটার, যা একটি সাধারণ ৬০ তলা দালানের উচ্চতার সমান। প্রথম ৬ তলা নির্ধারণ করা হয়েছে কার পার্কিং স্পেস হিসেবে। আমদানি করা ১৬৮টি লাক্সারি গাড়ি ব্যবহার হয় শুধু পরিবারের প্রয়োজনে। সপ্তম তলা রাখা হয়েছে গাড়ির সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ওয়ার্কশপ হিসেবে। অষ্টম তলায় রয়েছে একটি বিশাল বিনোদন কেন্দ্র, এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ৫০ জনের আসনক্ষমতা নিয়ে একটি মিনি থিয়েটার। নবম তলা রিফিউজ ফ্লোর, জরুরি প্রয়োজনে উদ্ধার কাজের জন্য এটি ব্যবহার হবে। তার উপরের দুটি ফ্লোর স্বাস্থ্যকেন্দ্র। একটিতে রয়েছে সুইমিং পুলসহ খেলাধুলার সব সরঞ্জাম। অপরটিতে নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক সব উপকরণ নিয়ে তৈরি সুবিশাল হেলথ জিম। তিনটি ফ্লোরজুড়ে রয়েছে নয়নাভিরাম ঝুলন্ত বাগান। নানা জাতের গাছ ও ফুলে শোভিত হয়েছে এই সুবিশাল বাগান। দুটি ফ্লোর রাখা হয়েছে আম্বানি পরিবারের আত্মীয়স্বজন তথা অতিথিশালা হিসেবে। বাড়ির উপরের দিকে চারটি ফ্লোর, যেখান থেকে আরব সাগর ও আকাশের মিলনরেখার অবারিত সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়, নির্ধারিত হয়েছে মুকেশ, তার স্ত্রী নিতা, তিন সন্তান এবং মুকেশের মা কোকিয়াবেনের জন্য। বাড়ির শীর্ষে দুটি ফ্লোরের মধ্যে একটি পরিবারের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এবং তার পরেরটি হ্যালিপেডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হিসেবে ব্যবহার হবে। বাড়ির শীর্ষে নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি হ্যালিপেড। ২০১০ সালের ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গৃহপ্রবেশ’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাড়িটিতে বসবাস করা শুরু করেছে মুকেশ আম্বানি পরিবার। এই বাড়ি ও বাড়ির মানুষজনের দেখাশোনার জন্য রয়েছে ৬০০ কর্মী।

গাড়ি :
বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি বাজারে আনল ল্যাম্বরগিনি। ভেনেনো রোডস্টার নামের এ গাড়ি ঘণ্টায় ২২১ মাইল গতিতে ছুটতে পারে আর এর দাম ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার। মাত্র তিন সেকেন্ডে ১০০ কিলোমিটার গতি তুলতে পারে ভেনেনো রোডস্টার গাড়িটি।

শাড়ি :
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি শাড়ি চেন্নাই সিল্কের তৈরি। এই শাড়িকে ২০০৮ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দামি শাড়ির স্বীকৃতি দেয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। সোনা, হীরা, প্লাটিনাম, রুপা কী নেই এতে। এর দাম ৩৯ লাখ ৩১ হাজার ৬২৭ রুপি! অর্থাৎ, প্রায় ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা।

চাঁদ-সূর্য কিংবা মঙ্গলগ্রহে জমি ক্রয়

চাঁদে জমি বিক্রির ঘটনা মোটেই নতুন নয়। এরই মধ্যে দেদার যে যার মতো করে চাঁদে জমি বিক্রি করে চলেছেন। আমেরিকান সংবাদপত্র ‘গুড মর্নিং আমেরিকা’ বলছে, গার্ডনারভিলের ব্যবসায়ী ডেনিস হোপ ইতিমধ্যে চাঁদ, মঙ্গল এবং সৌরজগতের অন্য কয়েকটি গ্রহের মিলিয়ন মিলিয়ন একর জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি সেই ১৯৬৮ সাল থেকে চাঁদের জায়গা বিক্রি করে আসছেন। চাঁদে ১ একর জমির মূল্য পড়ছে মাত্র ১৯.৯৯ ডলার আর মঙ্গলের ক্ষেত্রে সেটা ২২.৪৯ ডলার। সঙ্গে অবশ্য ট্যাক্স, শিপিং, হ্যান্ডলিং খরচও আছে। হোপ দাবি করছেন, তার প্রতিষ্ঠান ‘লুনার অ্যাম্বাসি করপোরেশন’-এর মাধ্যমে ইতিমধ্যে তিনি চাঁদের ৭.৫ অংশ বিক্রি করে দিয়েছেন। চাঁদের পর মানুষের নজরে পড়েছে সূর্য। এক স্প্যানিশ মহিলা ই-কমার্স সাইটে সূর্যে জমি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে হতম্ভব করে দিয়েছেন। স্পেনের অধিবাসী ৫৪ বছর বয়সী মারিয়া। ২০১০ সাল থেকেই তিনি দাবি করে আসছেন সূর্যের একটি নির্দিষ্ট জায়গা নাকি তার। সম্প্রতি ইবে নামক এক ই-কমার্স সাইটে তিনি সূর্যের সেই জমি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। তার চেয়ে কম যায়নি  মহাকাশ গবেষণায় বৃত্তিদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘উইংগুর। তারা মঙ্গল গ্রহে প্লট বিক্রি করছে। ‘উইংগু তাদের ওয়েবসাইটে মঙ্গল গ্রহে জমি কেনার সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করে রেখেছে। মঙ্গলে মহাশূন্য থেকে যে বৃত্তাকার খাদগুলো দেখা যায়, সেগুলোই শুধু আপনি কিনতে পারেন। এ জন্য গুনতে হবে মাত্র ৫ মার্কিন ডলার। মূল্য পরিশোধের পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণাদির কাগজপত্র আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

এক গ্লাস বাতাস ৬০ হাজার টাকা



পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকগুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা হয় বিশ্বব্যাপী। তবু প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। সম্প্রতি চীন পড়েছে তেমনই এক পরিবেশ বিপর্যয়ে। যে কারণে বাতাস হয়ে উঠেছে বিষাক্ত। আর এই ফাঁকেই একদল ব্যবসায়ী খুলে বসেছেন বাতাস বিক্রির ব্যবসা। সম্প্রতি কানাডার একটি কোম্পানি রকি পাহাড়ের বাতাস বোতলে ভর্তি করে রপ্তানি করেছে চীনে। বাজার কিন্তু মন্দ নয়। মাত্র চার দিনের মধ্যে বাতাসভর্তি সব বোতল বিক্রি হয়ে যায় চীনের বাজারে। চীনের বেইজিং শহরের বাতাসের এ করুণ দশা সামলাতে বাতাস কেনা ছাড়া কীইবা করার আছে! চীনের বাজারে কানাডার রকি পাহাড়ের বাতাস প্রতি বোতল বিক্রি হয় প্রায় দশ ডলারে। দেশটির বাজারে এক বোতল পানির তুলনায় এই এক বোতল বাতাসের দাম প্রায় পঞ্চাশ গুণ বেশি। এ বোতলজাত বাতাসের অধিকাংশ ক্রেতাই হলো চীনের বড় শহরগুলোর বাসিন্দা। কানাডাই যে এই প্রথম চীনের বাজারে বোতলজাত বাতাস বিক্রি করেছে তা কিন্তু নয়। এর আগে বেইজিংভিত্তিক শিল্পী লিয়াং কেগ্যাঙ্গ এক গ্লাস বাতাস বিক্রি করেছিলেন ৫১২ পাউন্ডে। আর ওই বাতাস তিনি ভর্তি করে এনেছিলেন দক্ষিণ ফ্রান্স থেকে একটি ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার সময়। তবে কানাডার এই ব্যবসা থেকে পিছিয়ে নেই যুক্তরাজ্য। সেখানকার এক ব্যবসায়ী বিশুদ্ধ বাতাসবিক্রি করে অল্প দিনেই কামিয়েছেন হাজার হাজার পাউন্ড। তার এই বাতাসের ক্রেতা চীনের ধনাঢ্য ব্যক্তিরা। লিও ডি ওয়াটস (২৭) নামের ওই ব্যক্তি যুক্তরাজ্যের সমারসেট, ওয়েলস ও ডরসেটের গ্রামীণ এলাকা থেকে বাতাস সংগ্রহ করেন। প্রতিটি এলাকার বাতাস গুণমানে আলাদা। এরপর তা বোতলে ভরে তিনি পাঠিয়ে দেন চীনের সাংহাই ও বেইজিংয়ের মতো দূষিত শহরগুলোতে। প্রতি বোতল বাতাস বিক্রি হয় ৮০ পাউন্ড করে, বাংলাদেশি টাকায় যা ৯ হাজারের বেশি।