মধ্যবিত্ত জীবনে খাবার খেতে গিয়ে আগপিছ কত কিছু ভেবে নিতে হয়। তারচেয়েও যাদের টাকা টান তারা একটু দামি কিছু খেতে চাইলে দশবার মানিব্যাগের দিকে তাকিয়ে তারপর রেস্টুরেন্টে খেতে বসে। কিন্তু একটু দামি হোটেলে যারা খাবার খান তাদের সে চিন্তা না করলেও চলে যদি ব্যাংকে সহস্র কোটি টাকা থাকে। রাশিয়ান ব্যবসায়ী সহস্র কোটিপতি রোমান আব্রাহিমভিচ রেস্টুরেন্টে খেতে বসে কী চিন্তা করেন তা জানতে চাইবেন অনেকেই। তবে এটুকু নিশ্চিত থাকতে পারেন টাকার কথা ভাবেন না একদম। ম্যানহাটনের এক রেস্টুরেন্টে অল্প কিছুক্ষণের জন্য বসেছিলেন। উদ্দেশ সামান্য নাস্তা করা। রেস্টুরেন্টে বসে তিনি খাবার অর্ডার করা শুরু করলেন আর রেস্টুরেন্ট বেয়ারাদের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেল। হাইপ্রোফাইল এই ব্যবসায়ীকে কে ছাড়তে চায়। যা চাইলেন তাই এনে টেবিলে হাজির করল তারা। খাবার শেষে ছোট্ট বিলের কাগজটি হাতে নিয়ে কোনো ভাবান্তর হলো না রোমান আব্রাহিমভিচের। প্রায় ৪০ লাখ টাকারও বেশি বিল হয়েছিল তার। পুরো টাকা শোধ করে বেরিয়ে গেলেন তিনি। কিন্তু বিলের কাগজটি আর গোপন রইল না। মিডিয়াকর্মীদের বদৌলতে পৃথিবীর মানুষ জানল এই লোকের এক বেলা খেতে কত টাকা লাগে।
Showing posts with label অবিশ্বাস্য খরচ. Show all posts
Showing posts with label অবিশ্বাস্য খরচ. Show all posts
Sunday, March 13, 2016
Sunday, March 6, 2016
৫০০ কোটি টাকার বিয়ে
সামাজিক উৎসবের মধ্যে একটি হলো বিয়ে। বিয়ের উৎসব আয়োজনে কম বেশি সবাই অতিথি আপ্যায়ন, আলোকসজ্জা ও আনুষঙ্গিক খরচ করে থাকেন। তবে সেই খরচের পরিমাণ যদি হয় ৫০০ কোটি টাকার বেশি তবে নিশ্চয়ই বিস্ময়ে হতবাক হতে হয়। আর বিয়ের অনুষ্ঠানে এমনই বিশাল খরচ করে ভারতীয় ধনকুবের লক্ষ্মী মিত্তাল তার মেয়ের বিয়েতে। শুধু ভারত নয়, বিশ্বের ধনী পরিবারগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারতের স্টিল ব্যবসায়ী লক্ষ্মী মিত্তাল পরিবার। এ পরিবারের বিয়ে মানেই জাঁকজমক আর বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাহার। ২০০৪ সালে লক্ষ্মী মিত্তালের কন্যা ভানিশার বিয়ের সময় প্যারিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কাইলি মিনোগ। রাতে ভাড়া করা হয় পুরো আইফেল টাওয়ার। আইফেল টাওয়ার থেকে আতশবাজি ছোড়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেন তিনি। এ ছাড়া মাত্র ১ হাজার অতিথির খাবারের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সতেজ খাদ্যপণ্য নিজস্ব বিমানে সেখানে পৌঁছানো হয়। শুধু খাবারই ছিল কয়েকশ কোটি টাকার। অনুষ্ঠানের জন্য পুরো ফ্রান্সের বিখ্যাত ভার্সেলিস প্রাসাদটি ভাড়া নেন তিনি। বিয়ের জন্য সোনালি রং বাছাই করা কারণে পুরো প্রাসাদ ও আসবাব মুড়ে দেওয়া হয় সোনালি রঙে। ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবহার হয় খাঁটি সোনা।
Subscribe to:
Posts (Atom)